সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭

অনলাইন ডেস্ক

Jan. 13, 2021, 10:55 p.m.

পিকে হালদারের ‘বান্ধবী’ রিমান্ডে
পিকে হালদারের ‘বান্ধবী’ রিমান্ডে
সংগৃহীত। - ছবি:

অর্থপাচারের দায়ে অভিযুক্ত বিদেশে পালিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়ালকে দুদকের মামলায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
গতকাল বুধবার আসামিকে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে উপস্থিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মো.

সালাউদ্দিন তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এ আবেদন মঞ্জুর করে।
এর আগে, আজ সকালে মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে অবন্তিকাকে গ্রেপ্তার করে।

দুদক গত বছরের জানুয়ারিতে ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে। পরবর্তী সময়ে দুদকের অধিকতর তদন্তে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পিকে হালদারের আরও বিপুল সম্পদের তথ্য মেলে।
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

পিকে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর এবং সাবেক সচিব ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের চেয়ারম্যান এনআই খানসহ ২৫ জনের দেশত্যাগের ওপর গত ৫ জানুয়ারি নিষেধাজ্ঞা জারি করে হাইকোর্ট। এ নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তদের মধ্যে অবন্তিকা বড়ালও আছেন।
পিকে হালদারকে গ্রেপ্তার ও দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে অগ্রগতি জানার পর ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ আমানতকারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
রেড নোটিশ জারি

প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা পাচার করে বিদেশে পলাতক পিকে হালদারের বিরুদ্ধে ৮ জানুয়ারি রেড নোটিশ জারি করে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল।
ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা।
পিকে হালদারকে বিদেশ থেকে ফেরাতে এবং গ্রেপ্তার করতে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে ১৯ নভেম্বর স্বপ্রণোদিত আদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। ওই আদেশ অনুসারে দুদক গত ২ ডিসেম্বর একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

গত ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে পিকে হালদারের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইন্টারপোলের কাছে পাঠানো এবং তার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চায়। পরে ২০ ডিসেম্বর দুদক আইনজীবী আদালতে জানান, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে পাঠানো হয়েছে।