মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭

সাইফুর রহমান মিরণ

Feb. 12, 2021, 12:05 a.m.

করোনা জয়ে টিকাই বিকল্প
করোনা জয়ে টিকাই বিকল্প
সম্পাদকীয়। - ছবি: ভোরের আলো।

করোনার টিকা নিন, সুস্থ্য থাকুন এবং দেশের উন্নয়নের পথে সহযোগী হোন। যে কোন ধরণের বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। কারণ, করোনাকে জয় করতে আমাদের টিকার কোন বিকল্প নেই।

গত কয়েক দিন ধরে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর সংখ্যার সঙ্গে টিকা নেওয়ার সংখ্যা অনেকটাই কম। টিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে নেতিবাচক প্রচারণার কারণে এমনটা হচ্ছে মনে করা হয়। তবে যারা করোনার টিকা নিয়েছেন তারা সবাই সুস্থ্য আছেন এবং ভালো আছেন। এই তথ্য প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকা নিতে আগ্রহ বাড়ছে। টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন নির্ভয়ে টিকা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে তারা করোনার টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। করোনার টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে বেশি বেশি প্রচারণা চালানো দরকার। সেই সঙ্গে বিভ্রান্তি যাতে না ছড়াতে পারে সেব্যাপারেও পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

প্রথম দিন করোনা টিকা দেওয়া কার্যক্রম শুরু হলেও আগ্রহী সংখ্যা কম ছিল। এরপর স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সরকারের পক্ষ থেকে স্পট রেজিস্ট্রেশন শুরু করে। টিকা বুথে গিয়ে নিবন্ধন করেই টিকা দিয়েছেন অনেকে। এই পদ্ধতি শুরু করার পর এবং টিকা গ্রহণকারীদের ইতিবাচক বক্তব্যে আশ^স্ত হচ্ছেন সাধারণ নাগরিকরা। ফলে টিকা কেন্দ্রে মানুষের ভীড় বাড়ে শুরু করে। বরিশালে তৃতীয় দিনে কোভিড টিকা কেন্দ্রে প্রচুর ভীড় দেখা গেছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও স্পট রেজিস্ট্রেশন করে তাৎক্ষণিক টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করায় টিকা কেন্দ্রে টিকা গ্রহণকারীর ভীড় বাড়ছে কথা জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস।

প্রথম দুই দিন গণমাধ্যমে টিকা প্রদান কার্যক্রম দেখে এবং কোন পাশর্^প্রতিক্রিয়া না থাকায় উদ্বুদ্ধ হয়ে টিকা নিতে এসেছেন অনেকে। টিকা প্রদান কার্যক্রমের শর্ত শিথিল করায় সম্মুখ যোদ্ধা ছাড়াও তাদের ১৮ উর্ধ্ব পরিবারের সদস্য এবং ৪০ বছরের উর্ধ্বে সাধারণ জনগণ টিকা নিতে ভীড় করছেন। প্রথম দিন বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৩ কেন্দ্রে কোভিড টিকা নিয়েছেন ১ হাজার ৪১২জন। সোমবার দ্বিতীয় দিন টিকা নিয়েছেন ১ হাজার ৫৪৪ জন। তৃতীয় দিন এবং চতুর্থ দিনে এই সংখ্যা আরো বেড়েছে। 
আসুন ৪০ বছরের বেশি বয়সের সবাই টিকা কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেই। টিনা নিয়ে সুস্থ্য থাকি। করোনা জয়ে বিকল্প কেবল টিকা। কোন ধরণের বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করে সহযোগী হই।