মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭

অনলাইন ডেস্ক

Feb. 22, 2021, 1:21 p.m.

আজ জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী
আজ জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি - ছবি:

মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমে আসায় সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এ নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনও করছে শিক্ষার্থীরা।

বিষয়টি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটায় অনলাইনে তিনি ব্রিফিং করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের।

ধারণা করা হচ্ছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলবেন শিক্ষামন্ত্রী।

গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাস ও হল খোলার দাবিতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়া একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মারধর ও হামলার শিকার হয়েছে। ফলে আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় দফায় দফায় বাড়ে ছুটি। সেই ছুটি চলমান রয়েছে। সবশেষ গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ২৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

এর মধ্যে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হয়। শুরুতে সম্মুখসারির করোনাযোদ্ধা ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে সেই সিদ্ধান্ত শিথিল করে সরকার। বর্তমানে মনোনীত সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং ৪০-ঊর্ধ্ব বয়সীরাই টিকা নিতে পারছেন।

এদিকে করোনার কারণে ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলও খালি করে সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। পরে সেশনজট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। যদিও অনলাইনে ক্লাসের সুবিধা সব শিক্ষার্থী সমানভাবে নিতে পারেননি, এমন সমালোচনা রয়েছে।

দেশে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার দুই দিন পর দেশজুড়ে সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসে। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই কয়েক দফায় বাড়ে। ৬৬ সাধারণ ছুটির দিন পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করার অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সব কিছু ধারাবাহিকভাবে খুলে দেয় সরকার।