বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮

অনলাইন ডেস্ক

Feb. 24, 2021, 10:15 p.m.

প্রয়োজনে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হবে, না হলে হবে না
প্রয়োজনে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হবে, না হলে হবে না
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। - ছবি:

অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়লে তা প্রতিহত করতেই সরকার পুলিশকে অস্ত্র দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘বন্দুকযুদ্ধ হলে কি পুলিশ বন্দুক ফেলে পালিয়ে আসবে? অস্ত্রধারীরা গুলি ছুড়লে আমরা প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করব। সরকারি অস্ত্র লাঠি হিসেবে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়নি। লাঠি একরকম আর প্রাণঘাতী অস্ত্র আরেক রকম। সরকার যদি শুধু লাঠি দেয়, আমরা লাঠিই ব্যবহার করব’।

বুধবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের নবনির্মিত ছয়তলা জরুরি বিভাগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন আইজিপি।

এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ‘নিহত জকির ডাকাত, ভয়াবহ ডাকাত। কক্সবাজারে গিয়ে খবর নিন। গত তিন বছরে জাকির গ্রুপের কাছ থেকে কমপক্ষে দেড় শ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যখন সে গুলিতে মারা গেছে, তখনো তার কাছ থেকে নয়টি অস্ত্র পাওয়া গেছে। যখন এ ধরনের কোনো বিপজ্জনক আর্মস গ্যাং গুলি করবে, তখন কি আমরা শহীদ হব’? তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকার মানুষ জানে জাকির ডাকাত কী জিনিস। তার হাতে কত লোক অপহৃত হয়েছেন আর কতজন মারা গেছেন। তাই যেটা (বন্দুকযুদ্ধ) হয়েছে, সেটা আমি মনে করি প্রয়োজন হলে হবে, না হলে হবে না। এখানে ঘোষণা দিয়ে চালু বা বন্ধ করার কোনো বিষয় নেই’।

এর আগে নবনির্মিত জরুরি বিভাগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে। বর্তমানে এই হাসপাতালে সব রোগের চিকিৎসা হচ্ছে। এখানে হার্টের রিং পরানোর ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা খরচ করি তাদের বাইরে চিকিৎসা করানোর জন্য। এ হাসপাতালকে একটা পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল করার চেষ্টা করছি, যাতে সব ধরনের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়। আজকে যে ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পেয়েছে এরপর বাকি থাকবে ক্যানসার ইউনিট। আশা করছি আগামী বছর এটি চালু করা সম্ভব হবে।