শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৫ বৈশাখ ১৪২৮

অমিত হাসান অভি

April 8, 2021, 12:41 p.m.

ই-কমার্স দিবস আজ
ই-কমার্স দিবস আজ
আজ ৭ এপ্রিল, ই-কমার্স দিবস। - ছবি:

আজ ৭ এপ্রিল, ই-কমার্স দিবস। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ই-কমার্স দিবস পালন করা হয়। ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে কমবেশি সকলেরই ধারণা আছে। 

কয়েক বছর আগেও অনলাইনে বেচা-কেনার বিষয়টি এদেশের মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম হিসেবে আস্থা অর্জন করা বেশ কঠিন ছিল। অথচ সময়ের পরিক্রমায় আজ এটি বহুল আলোচিত ও সময়ের সেরা শিরোনাম। দোকান ঘুরে শাড়ি, গহনা, জুতা,  প্রসাধনীসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাকাটার জন্য মানুষের অভ্যাস দিন দিন বদলাচ্ছে। মোবাইল কিংবা কম্পিউটার থেকে যে কোনো জায়গায় বসে পণ্য বেছে নিয়ে এক ক্লিকেই দেয়া যায় অর্ডার। ঝামেলাহীন ভাবে পণ্য চলে আসে ক্রেতার দেওয়া ঠিকানায়। আর বিক্রেতাও পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত গ্রাহক। খাবার থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার তো আছেই।  চাইলে কিনে ফেলা যায় বাড়ি, গাড়ি, বিমান কিংবা ট্রেনের টিকিটসহ যা দরকার সব কিছু। অনলাইনে কেনাকাটার এই বিষয়টিকেই বলা হয় ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স। বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর এই সেবা গ্রহণের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছেই।


২০২০ সালে বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসারের একটা বাস্তব চিত্র আমরা দেখেছি। লকডাউনে যখন সবকিছু স্থবির, তখনও মানুষের চাহিদাগুলো বরাবরের মতোই ছিল। তাই ভরসা ছিল অনলাইনের মাধ্যমে কেনাকাটা। বিরূপ পরিস্থিতির কারণে মানুষ এই ধারার কেনাকাটায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। গত একটা বছর অনলাইনে কেনাকাটা বুঝিয়ে দিয়েছে ই-কমার্স মানে প্রতারণা নয়, বরং ই-কমার্স মানে স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দ্য। ই-কমার্সের প্রসারের কল্যাণে বন্ধ হয়ে যাওয়া তাঁতশিল্প ফিরে পেয়েছে নতুন জীবন। হাসি ফুটেছে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের মুখে। শত দুরাবস্থায়ও কতো লক্ষাধিক পরিবার যে চলেছে ই-কমার্সের পণ্য/সেবা বিক্রির মাধ্যমে, তার হিসেব নেই। গত বছর ই-কমার্সের ভীত যেন মজবুত হয়েছে। এবার শুধু সেই ভীতের উপর দাঁড়িয়ে দেশি এবং বিদেশী পণ্য নিয়ে নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের ইতিহাস রচনার পালা। অপেক্ষায় রয়েছি দেশে এই সেক্টরের শিল্পবিপ্লব দেখার।

সকলকে ই-কমার্স দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।