অনলাইন ডেস্ক

Sept. 7, 2019, 11:25 p.m.

১১ হোমিও ওষুধ সেবনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
১১ হোমিও ওষুধ সেবনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
স্বাস্থ্য। - ছবি: ভোরের আলো

ডায়াবেটিস  একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে চধহপৎবধং (অগ্নাশয়) বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। এই রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেড়ে যায়। সুস্থ লোকের রক্তে প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৫.৬ মিলি মোলের কম এবং খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে। অভুক্ত অবস্থায় রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.১ মিলি মোলের বেশি হলে অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোলের বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।

ক. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
খ. খুব বেশি পিপাসা লাগা
গ. বেশি ক্ষুধা পাওয়া
ঘ. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
ঙ. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা
চ. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া
ছ. খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেওয়া
জ. চোখে কম দেখা।

ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমার এই নিজস্ব ফর্মুলাটি (৪ বছরের গবেষণার মাধ্যমে) অনুসরণ করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পুরোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পুরোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না। তারপরও তারা অন্য যেকোনো চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। আমার এই কম্বিনেশন মেডিসিন নিয়মিত সেবন করলে আপনি আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

প্রতিটি ওষুধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ওষুধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ওষুধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ওষুধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোঁটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোঁটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে। তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনি রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপি-, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্নায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে। আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। আমার এই গবেষণাটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মানব সেবাই কাজে লাগাতে চাই। আপনার যে কোন প্রয়োজনে আপনি আমাকে ফোন করতে পারেন।