বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬

অনলাইন ডেস্ক

Feb. 29, 2020, 12:13 a.m.

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে পর্যটকদের জন্য ছাদখোলা বাস
কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে পর্যটকদের জন্য ছাদখোলা বাস
কক্সবাজার-টেকনাফ রুটের মেরিন ড্রাইভ সড়কে পর্যটকদের জন্য চালু হয়েছে ছাদখোলা বাস সার্ভিস - ছবি:

কক্সবাজার-টেকনাফ রুটের মেরিন ড্রাইভ সড়কে পর্যটকদের জন্য চালু হয়েছে ছাদখোলা বাস সার্ভিস। অ্যাকোয়াহোলিক টুরিস্ট ক্যারাভ্যান নামে এই ছাদ খোলা বাসে চড়ে পর্যটকরা মেরিন ড্রাইভ সড়কের একপাশে সাগর ও অন্যপাশে পাহাড়ের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

গত বুধবার বিকেলে পর্যটক বাস সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজাহান আলী। বাসটির আসনসংখ্যা ৪৮টি। প্রতিদিন সকাল ৯টায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে টেকনাফে যেতে হবে।

সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করা ১০ তরুণ নিয়েছেন এই উদ্যোগ। মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত আসা-যাওয়ার জন্য জনপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। যাত্রীদের জন্য থাকবে সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থা।

এ ছাড়া, বাসটিতে রয়েছে দেশি-বিদেশি লেখকদের লেখা ভ্রমণকাহিনি ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট বই সংবলিত একটি লাইব্রেরি। থাকছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ও ওয়াশ রুম।

বিশেষ এই বাস সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) মো. শাহজাহান আলী বলেন, শুধু কক্সবাজার নয়; দেশে এ ধরনের উদ্যোগ এই প্রথম। এর মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করবে।

অ্যাকোয়াহিলিক টুরিস্ট ক্যারাভ্যানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানজিল আহমদ বলেন, পড়াশোনা শেষে ১০ বন্ধু চাকরির জন্য বসে না থেকে স্ব-উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করার চেষ্টা করি। সেই চেষ্টা থেকেই এই উদ্যোগ।

তানজিল বলেন, প্রাথমিকভাবে মেরিন ড্রাইভ রোডে একটি বাস চালু করা হয়েছে। এতে দোতলায় ৩৬টি এবং নিচতলায় ১২টি আসনের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে ছোট বাসে করে যাত্রীদের উখিয়ার রেজুখাল সেতু পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে বাসটি যাবে টেকনাফের সাবরাং জিরো লাইনে। বিকেলে পর্যটকদের নিয়ে সাবরাং থেকে কক্সবাজারে ফিরতি যাত্রা শুরু করবে বাসটি।

বাসটির ছাদ খোলা থাকায় পর্যটকরা উপভোগ করতে পারবেন পাহাড়, নদী ও সাগরের পাশাপাশি বালিয়াড়ির অপরূপ দৃশ্য এবং সমুদ্র উপকূলের জীবন ও প্রকৃতি।