মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

March 10, 2020, 12:05 a.m.

বরিশালের শেবাচিমে করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়
বরিশালের শেবাচিমে করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়
শেবাচিমে করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায় - ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন বর্ধিত ভবনে ১২৫ শয্যার করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। নতুন ইউনিটে চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর জনবল সংকটের কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। 

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছুদিন আগেই হাসপাতালের মূল ভবনে ৫ শয্যার করোনা ইউনিট স্থাপন করে কর্তৃপক্ষ। নতুন করে করোনা ইউনিট আইসোলেটেড (পৃথক) করার নির্দেশনা আসায় পুরনো ভবন থেকে করোনা ইউনিট গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় নতুন বর্ধিত ভবনে স্থানান্তর করা হয়। ইতিমধ্যেই নতুন ওই ইউনিটে স্থাপন করা হয়েছে ভেল্টিলেশন মেশিন সহ যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে চিকিৎসক। প্রস্তুুত রাখা হয়েছে ৩০ জনের একটি নার্স টিম।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, নতুন ভবনে আড়াই শ’ শয্যা করার মতো স্থান রয়েছে। তবে আপাতত ১২৫টি শয্যা স্থাপন করা হচ্ছে। করোনা ইউনিটের জন্য স্থান এবং চিকিৎসা সামগ্রী থাকলেও চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর তীব্র জনবল সংকট রয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রনালয়ে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

পুরনো ৫শ’ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী এই হাসপাতালে ২২৪টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৭ জন। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর ৪২৬ জন কর্মচারীর বিপরীতে আছেন ৩০২জন।
 
এদিকে সম্ভাব্য করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বরিশালে মাস্কের ব্যবহার বেড়ে চলছে। এ কারনে সার্জিক্যাল দোকানগুলো মাস্ক শূন্যতা দেখা যাচ্ছে।

নগরীর বগুড়া রোডের বরিশাল সার্জিক্যালের রতন চক্রবর্তী জানান, করোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই মাস্কের ব্যবহার বেড়ে যায়। ইদানিং মাস্কের ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছেন। ঢাকার মোকামে চাহিদাপত্র দিয়েও মাস্ক পাচ্ছেন না তারা। এ কারনে আপাতত মাস্ক নেই। বরিশালে ৮টি সার্জিক্যাল দোকান রয়েছে। এর কোনটিতেই মাস্ক নেই বলে জানান রতন চক্রবর্তী।
েসে করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন বর্ধিত ভবনে ১২৫ শয্যার করোনা ইউনিট চালুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। নতুন ইউনিটে চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর জনবল সংকটের কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। 

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছুদিন আগেই হাসপাতালের মূল ভবনে ৫ শয্যার করোনা ইউনিট স্থাপন করে কর্তৃপক্ষ। নতুন করে করোনা ইউনিট আইসোলেটেড (পৃথক) করার নির্দেশনা আসায় পুরনো ভবন থেকে করোনা ইউনিট গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় নতুন বর্ধিত ভবনে স্থানান্তর করা হয়। ইতিমধ্যেই নতুন ওই ইউনিটে স্থাপন করা হয়েছে ভেল্টিলেশন মেশিন সহ যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে চিকিৎসক। প্রস্তুুত রাখা হয়েছে ৩০ জনের একটি নার্স টিম।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, নতুন ভবনে আড়াই শ’ শয্যা করার মতো স্থান রয়েছে। তবে আপাতত ১২৫টি শয্যা স্থাপন করা হচ্ছে। করোনা ইউনিটের জন্য স্থান এবং চিকিৎসা সামগ্রী থাকলেও চিকিৎসক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর তীব্র জনবল সংকট রয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রনালয়ে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

পুরনো ৫শ’ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী এই হাসপাতালে ২২৪টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৭ জন। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর ৪২৬ জন কর্মচারীর বিপরীতে আছেন ৩০২জন।
 
এদিকে সম্ভাব্য করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বরিশালে মাস্কের ব্যবহার বেড়ে চলছে। এ কারনে সার্জিক্যাল দোকানগুলো মাস্ক শূন্যতা দেখা যাচ্ছে।

নগরীর বগুড়া রোডের বরিশাল সার্জিক্যালের রতন চক্রবর্তী জানান, করোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই মাস্কের ব্যবহার বেড়ে যায়। ইদানিং মাস্কের ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছেন। ঢাকার মোকামে চাহিদাপত্র দিয়েও মাস্ক পাচ্ছেন না তারা। এ কারনে আপাতত মাস্ক নেই। বরিশালে ৮টি সার্জিক্যাল দোকান রয়েছে। এর কোনটিতেই মাস্ক নেই বলে জানান রতন চক্রবর্তী।