মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬

অনলাইন ডেস্ক

March 18, 2020, 9:13 p.m.

কর্মস্থলে করোনা প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা'র নির্দেশনা
কর্মস্থলে করোনা প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা'র নির্দেশনা
সংগৃহীত - ছবি:


বিশ্বে মহামারী রূপ নেয়া নভেল করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে। এই ভাইরাসের সংক্রমণের সতর্কতার অংশ হিসেবে গত ১৬ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে কর্মস্থল ও বাড়িতেও সব ধরণের প্রস্তুতি ও সচেতন থাকার ব্যাপাররে একাধিকবার উল্লেখ করা হয়। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে কর্মস্থলে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন, কর্মীদের করণীয় কী, সে সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। প্রথমেই প্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারীদের (নিয়োগদাতা) করণীয় কী, সে সম্পর্কে বলেছে ডব্লিউএইচও।

কর্মদিবস কমিয়ে আনার কথা ভাবতে বলেছে ডব্লিউএইচও। কর্মস্থল পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জোর দিয়েছে তারা। বিশেষ করে ডেস্ক, টেবিল, টেলিফোন, কি-বোর্ড ইত্যাদি জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তা না হলে, করোনাভাইরাস রয়েছে এমন স্থান ও সামগ্রীর স্পর্শে আসা কর্মীর মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কর্মীদের পাশাপাশি অফিসে আসা অন্য ব্যক্তিদের ভালোভাবে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে বলেছে ডব্লিউএইচও। অফিসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মজুত রাখতে হবে জীবাণুনাশক ও হাত ধোয়ার সামগ্রী। এ ছাড়া করোনাভাইরাস মোকাবিলায় হাত ধোয়াসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধির পোস্টার প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে মাস্ক ও টিস্যু পেপারের সহজলভ্যতার বিষয়টিও। অফিসে আসার পথে সরকারের ভ্রমণ পরামর্শ মেনে চলার জন্য কর্মীদের পরামর্শ দিতে হবে। কর্মী যে এলাকায় থাকেন, সেখানে করোনার সংক্রমণ শুরু হলে তিনি যেন বাড়িতেই অবস্থান করেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দিতে হবে।

খুবই জরুরি না হলে অফিসে বৈঠকসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি ভাবতে হবে। বৈঠক বা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তি হয়তো নিজের অজান্তেই করোনাভাইরাস বয়ে আনতে পারেন। মুখোমুখি বৈঠক এড়িয়ে টেলিফোন কনফারেন্স বা অনলাইনে তা করা যায় কি না, সেটি বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বৈঠকে উপস্থিত কেউ শুষ্ক কাশি, জ্বর, অসুস্থতা বোধ করলে তার বিষয়ে দ্রুত (হাসপাতালে পাঠানো বা বাসায় রাখা) সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কর্মদিবস কমিয়ে আনতে হবে, মুখোমুখি বৈঠক এড়িয়ে টেলিফোন কনফারেন্স বা অনলাইনে করা যেতে পারে
ডেস্ক, টেবিল, টেলিফোন, কিবোর্ড ইত্যাদি জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে, ১ মিটার বা ৩ ফুটের কিছু বেশি রাখতে হবে।