শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

অনলাইন ডেস্ক

April 10, 2020, 9:37 p.m.

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভর্তিসহ কার্যক্রম বন্ধ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভর্তিসহ কার্যক্রম বন্ধ
ugc - ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একই সঙ্গে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় ইউজিসি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছে ইউজিসি।   

কমিশনের জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশে কভিড-১৯ এর ভয়াবহতা আগের চেয়ে আরও বিস্তৃত হচ্ছে। কমিশন মনে করে, এ পরিস্থিতিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা গ্রহণ ও সামার সেমিস্টারে ভর্তি কার্যক্রম চালু রাখার মতো কোনো অনুকূল পরিবেশ নেই। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যগত বিষয়ে কমিশন ও সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

চলমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় রেখে কমিশন থেকে গত ৬ এপ্রিল জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটলে কমিশন এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে পরামর্শ বা নির্দেশনা দেবে।

নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকার কর্তৃক জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন ও অনুসরণ করতে বিজ্ঞপ্তিতে উচ্চশিক্ষা পরিবারের সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউজিসি।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, কিছু কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসির পরামর্শ অমান্য করে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এমনকি দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে কিছু কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সামার সেমিস্টারে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ ধরনের কার্যক্রম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার আহ্বান জানায় ইউজিসি।

তবে গত ২৪ মার্চ ইউজিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি সাময়িকভাবে পূরণের লক্ষ্যে শিক্ষকদের অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়।