রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ২১ আষাঢ় ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

May 28, 2020, 11:40 p.m.

খুলনায় করোনা রোগীর চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপি
খুলনায় করোনা রোগীর চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপি
সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. মঞ্জুরুল প্লাজমা দান করেছেন। - ছবি:

খুলনার করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা পজেটিভ এক রোগীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজের ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগ ও করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই থেরাপি দেয়া হয়।

বাগেরহাটের বাসিন্দা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. মঞ্জুরুল এ প্লাজমা দান করেছেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো. জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, করোনা পজিটিভ ডা. মঞ্জুরুল চিকিৎসা নিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের চিকিৎসকদের আহ্বানে করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষু এক রোগীকে প্লাজমা দিতে এগিয়ে আসেন। খুমেক হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে তার প্লাজমা দান করেন। 

তিনি বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ডা. মঞ্জুরুল এর প্লাজমা খুলনা মেডিকেল কলেজ এর ইথিকাল কমিটির অনুমোদন নিয়ে ওই রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। ডা. মঞ্জুরুল এর অবদান খুলনাবাসীর জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে। 

জানা যায়, প্লাজমা থেরাপি ব্যবস্থাপনার সাথে রয়েছেন খুমেক এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আব্দুল আহাদ, উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী রেজা সেকেন্দার। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কনভালেসেন্ট প্লাজমা থেরাপি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল প্রোজেক্ট এর প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ও ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস এম তুষার আলম, কো- ইনভেস্টিগেটর অধাপক ডা. শেখ আমির হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. খসরুল আলম মল্লিক, সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহনাজ পারভীন, কনসালটেন্ট মেডিসিন ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস এবং মেডিকেল অফিসার ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগ ডা. জিল্লুর রহমান তরুণ যুক্ত আছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফারাহ আনজুম সোনিয়া বিশেষজ্ঞ হিসাবে পরামর্শ দিচ্ছেন। 

প্রসঙ্গত, প্লাজমা থেরাপি একটি আশা জাগানো রিসার্চ ট্রিটমেন্ট, যা সাম্প্রতিক সময়ে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে সফলভাবে চালু হয়েছে।