বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

June 4, 2020, 11:11 p.m.

গলায় জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিত মূল হোতা চেয়ারম্যান মোস্তফা রাঢ়ী গ্রেপ্তার
গলায় জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিত মূল হোতা চেয়ারম্যান মোস্তফা রাঢ়ী গ্রেপ্তার
চেয়ারম্যান মোস্তফা রাঢ়ী। - ছবি: ভোরের আলো।

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১২ নম্বর দরির চর খাজুরিয়া ইউনিয়নের মাদ্রাসা সহকারী ও ঈমাম মো. শহীদুল ইসলামকে প্রকাশ্যে গলায় জুতার মালা পড়িয়ে নির্যাতনের ঘটনার অন্যতম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা রাঢ়ী এবং তার সহযোগী মো. আবদুস সত্তার সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় মুলাদী উপজেলার পৌর শহর থেকে তাদের দুইজনকে গ্রেপ্তার করে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ। এই নিয়ে মামলার তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মাদ্রাসা সহকারী ও ঈমাম মো. শহীদুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী হচ্ছেন দরিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা রাঢ়ী। মামলার দ্বিতীয় আসামী হোচ্ছেন আবদুস সত্তার সিকদার।

পুলিশ জানানয়, হেনেস্তার শিকার শহীদুল ইসলাম বাদি হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোস্তফা রাঢ়ীসহ শালিসে উপস্থিত ৯জনের নাম উল্লেখ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলা দায়েরর পরপরই বজলু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পর মামলার মূল আসামী মো. মোস্তফা রাঢ়ীসহ অন্যারা আত্মগোপন করে। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ৬টায় মুলাদী পৌর শহর থেকে মোস্তফা রাঢ়ী ও আবদুস সত্তার সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. নাঈমুল হক গতকাল রাতে বলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মাদ্রাসা সহকারী ও ঈমাম মো. শহীদুল ইসলামকে নির্যাতন এবং গলায় জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামী ও ঘটনার মূল হোতা দরির চর খাজুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা রাঢ়ী এবং আবদুস সত্তার সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা দয়েরের ৮ ঘন্টার মধ্যে প্রধান আসামীসহ তিনজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। খুব শিঘ্র তারা আইনের আওতায় আসবে। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আজ শুক্রবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।