সোমবার, ০৩ আগষ্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭

অনলাইন ডেস্ক

July 27, 2020, 5:36 p.m.

জেনে নিন শিউলি ফুলের উপকারীতা
জেনে নিন শিউলি ফুলের উপকারীতা
শিউলি ফুল - ছবি: সংগৃহীত

শিউলি ফুল প্রত্যেক মানুষের কাছে খুব প্রিয়। বিশেষত, বাঙালির কাছে তো খুবই প্রিয়। কারণ, এই ফুল ফুটলে বোঝা যায় শরৎ এসেছে। আর শরৎকাল আসা মানেই দুর্গা পুজো আসা। ছোটো আকারের কমলা সাদার মিশ্রণে এই ফুলের মিষ্টি গন্ধে চারিদিক ম ম করে ওঠে। আর তার সাথে দুর্গা পুজোর আনন্দে প্রত্যেক বাঙালির মন নেচে ওঠে। তবে, শুধুমাত্র পুজোর বার্তাই বহন করে না, শিউলি গাছ ও পাতার মধ্যে আছে বহু গুণাগুণ। যা, আমাদের শারীরিক উপকারে লাগে। জেনে নিই শিউলির উপকারিতা সম্পর্কে :
১) অনেকের বাড়িতেই শিউলি ফুলের গাছ থাকে। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে শিউলি গাছের দু-তিনটি পাতা তুলে জলে ধুয়ে মুখে পুরে নিন। ভালো করে চিবিয়ে যতটুকু রস আছে খেয়ে ফেলে দিন ছিবড়েটুকু। আপনার কাশিতে যদি কফ বের হয় তবে এর থেকে ভালো ওষুধ বাজারে পাবেন বলে মনে হয় না। এর রস যদিও অত্যন্ত তেতো প্রকৃতির, কিন্তু, এটি নিয়মিত খেলে কাশির দমক তো কমবেই, গায়েব হবে কফের চিহ্নও।
 ২) সাইটিকার ব‍্যথা কমাতে প্রতিদিন সকালে কয়েকটি শিউলি পাতা ও কয়েকটি তুলসী পাতা একসাথে জলে ফুটিয়ে সেই জল ছেঁকে সকাল ও সন্ধ্যায় খেতে হবে। ৩) প্রতিদিন সকালে চা এর মতো এক কাপ জলে দু'টি শিউলি পাতা ও দু'টি তুলসী পাতা ফুটিয়ে ও ছেঁকে খেতে হবে। এটি এক ধরনের হার্বাল টি। এর ফলে আর্থারাইটিসের ব‍্যথা কমবে।
৪) জ্বর কমাতে সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
৫) পরীক্ষায় দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলি কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলি নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে।
 ৬) গবেষণায় দেখা গেছে, শিউলির নির্যাস সাধারণত রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে।ফলে, রোগ প্রতিরোধ হয়।
৭) আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রেও শিউলির উপকারিতা অনেক। এতে আছে অ্যাণ্টি-অক্সিডেণ্ট ও অ্যাণ্টি-ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
৮) শিউলির তেলের ব্যবহার মাথার চুল বাড়ায়।
৯) গলার আওয়াজ বসে যায় মাঝে মাঝে। এক্ষেত্রে, শিউলি পাতার রস ২ চামচ মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার কয়েকদিন খেলে উল্লেখযোগ্যভাবে উপকার হবে। ১০) শিউলি পাতার রস অল্প গরম করে খেলে ক্রিমির উপদ্রব কমে।
 
১১) শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম জলে খেলে মেদ কমে।