সোমবার, ০৩ আগষ্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

July 28, 2020, 10:03 p.m.

প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয় মহাত্মা অশ্বিনী কুমার স্মৃতি সংসদ
প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয় মহাত্মা অশ্বিনী কুমার স্মৃতি সংসদ
স্মারকলিপি। - ছবি: ভোরের আলো।

অবিভক্ত ভারতবর্ষের অন্যতম অবিসংবাদিত নেতা মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের বাসভবনে পরিচালিত সরকারি বরিশাল কলেজের নাম ‘মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত’র নামে করার সরকারি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী এবং বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেন মহাত্মা অশ্বিনী কুমার স্মৃতি সংসদ, বরিশাল।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১ টায় বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম  অজিয়র রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন মহাত্মা অশ্বিনী কুমার স্মৃতি সংসদ।

ওই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহাত্মা অশ্বিনী কুমার স্মৃতি সংসদের সভাপতি স্নেহাংশু কুমার ও সদস্যবৃন্দ দেবাশিষ কুণ্ডু, জোবায়ের হোনে সাহেদ, মিঠুন রায়, আশরাফুর রহমান সাগরসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ রয়েছে, ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের তথা বরিশালের কৃতি সন্তান মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত। তাঁর নামে সরকারি বরিশাল কলেজের নামকরণের দাবিতে কয়েক যুগ ধরে বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলন করে আসছে। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সরকারি বরিশাল কলেজের নামকরণ মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে করে গেজেট নোটিফিকেশন জারি হওয়াটা এখন সময়ের দাবি। এটা বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির স্বীকৃতিও বটে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানাই এবং অবিলম্বে এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

বরিশালের প্রগতিশীল ও সর্বস্তরের সচেতন মানুষজনের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি বরিশাল কলেজের নামকরণ এই সংগ্রামি ও মহান ব্যক্তি অশ্বিনী কুমারের নামে করার সিদ্ধান্ত সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের বিবেচনাধীন থাকায় আমাদের আশান্বিত করেছে। আবার আমরা গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কার সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, একটি মহল মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে সরকারি বরিশাল কলেজের নামকরণের বিরোধীতার অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন। আমরা এই অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে সরকারি বরিশাল কলেজের নামকরণ মহাত্মা অশ্বিনী কুমারের নামে করার প্রস্তাবনা দ্রুত বাস্তবায়নের দ্রুত দাবি করা হয়েছে স্মারকলিপিতে।