শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বার ২০২০, ৩ আশ্বিন ১৪২৭

অনলাইন ডেস্ক

Aug. 4, 2020, 5:23 p.m.

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে টিকার খোঁজ কখনো নাও মিলতে পারে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে টিকার খোঁজ কখনো নাও মিলতে পারে
তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস - ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস।স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস।অনুসন্ধানে অগ্রগতির কথা বললেও কিছু বিষয় নিয়ে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান। তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, কোভিড-১৯–এর টিকা পাওয়ার বিষয়ে আশা থাকলেও এ নিয়ে সংশয়ও রয়েছে। কখনো এর খোঁজ কখনো নাও মিলতে পারে।

বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল সোমবার জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তেদরোস বলেছেন, এ মুহূর্তে কোনো আলোকরেখার দেখা নেই। কখনো তা নাও থাকতে পারে। তিনি বিশ্বব্যাপী মানুষকে সামাজিক দূরত্ব, হাত ধোয়ার এবং মাস্ক পরার মতো ব্যবস্থাগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মারা গেছে ৬ লাখ ৮৯ হাজারের বেশি মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা তৈরির কাজ এগিয়ে চলেছে। বিশ্বজুড়ে কয়েকটি টিকা তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে। আমরা আশা করছি, একাধিক কার্যকর টিকা এ রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করবে। তবে এ মুহূর্তে কোনো আলোকরেখা নেই। কখনো নাও থাকতে পারে। এ মুহূর্তে মহামারি ঠেকাতে সাধারণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়মগুলো মানতে হবে। করোনা পরীক্ষা, আইসোলেশন ও রোগীর চিকিৎসা, রোগী সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা ও তাদের পৃথক রাখতে হবে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান আরও বলেন, চীন থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার প্রাথমিক তদন্তকাজ শেষ হয়েছে। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভাইরাসটি প্রাণী থেকে মানবদেহে ছড়িয়েছিল এবং সেটি উহানের একটি বাজার থেকে শুরু হয়েছিল। ভাইরাসের উৎস নিয়ে একটি আধুনিক গবেষক দল কাজ শেষ করেছে। এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক গবেষকেদের আরেকটি বড় দল কাজ শুরু করবে।