শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বার ২০২০, ৩ আশ্বিন ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

Aug. 8, 2020, 9:01 p.m.

বঙ্গমাতা'র জন্মবার্ষিকীতে বরিশাল জেলা ও মহানগর আ'লীগের দোয়া ও মিলাদ
বঙ্গমাতা'র জন্মবার্ষিকীতে বরিশাল জেলা ও মহানগর আ'লীগের দোয়া ও মিলাদ
শনিবার (৮ আগস্ট) আসর নামাজবাদ নগরীর সোহেল চত্ত্বর রোডস্থ  বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে - ছবি:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ  হাসিনার মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে  দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) আসর নামাজবাদ নগরীর সোহেল চত্ত্বর রোডস্থ  বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়া ও মিলাদের  আয়োজন করা হয়। 

দোয়া ও মিলাদ পূর্ব সংক্ষিপ্ত  আলোচনা সভায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট তালুকদার মো: ইউনুস বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে  প্রেরণার উৎস ছিলেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। 

তৎকালীন ফরিদপুর জেলার টুঙ্গীপাড়ার সন্তান শেখ মুজিব দীর্ঘ আপোষহীন লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ধীরে ধীরে শুধুমাত্র বাঙালি জাতির পিতাই নন, বিশ্ব বরেণ্য রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তাঁরই সহধর্মিণী, মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। 

বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ছয়-দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বার বার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন-যাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা বঙ্গমাতার নিকটে ছুটে আসতেন, তিনি তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা বুঝিয়ে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাতেন। 

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর বলেন,বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব  ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী, মহিয়সী নারী, বাঙালির সকল লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী। 

তিনি আরো বলেন, আগরতলা যড়যন্ত্র মামলায় প্যারোলে বঙ্গবন্ধুর মুক্তি নিয়ে একটি কুচক্রীমহল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের  রূহ মাগফিরাত কামনায় নগরীর পৌরসভা মসজিদের খতিব মাওলানা মো: নাসির উদ্দিন দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন। 

দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আনিছ,মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করীম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অ্যাড মুনসুর আহমেদ,
সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো: মুজিবুর রহমান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড সাইফুল আলম গিয়াস, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড কাইয়ুম খান কায়সার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাহতাব হোসেন সুরুজ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা তারিক বিন ইসলাম এবং জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক অ্যাড মো: মিলন ভূঁইয়াসহ বরিশাল  জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ, ১৯৩০ সালের ৮ অগাস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সপরিবারে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন এই মহীয়সী নারী।