সোমবার, ২৬ অক্টোবার ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

Sept. 20, 2020, 12:15 a.m.

বরিশালের বাসিন্দা খুলনার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ
বরিশালের বাসিন্দা খুলনার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলন। - ছবি: ভোরের আলো।

বরিশাল নগরীতে বিসিসি’র নিয়ম বহিঃভূত ভবন নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ায় মারধর করে টাকা ও মটর সাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরিশালের বাসিন্দা খুলনায় কর্মরত পুলিশ সদস্য কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে এমন অভিযাগ করেছেন মো. শামীম আহম্মেদ।

শনিবার দুপুর ১২টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগ করেন নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ড সিএন্ডবি রোডের বাসিন্দা সুলতান আহমেদ এর ছেলে শামীম আহম্মেদ।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে মো. শামীম আহম্মেদ অভিযোগ করেন, খুলনা বিভাগে কর্মরত মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা একই এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন ২০১৪ সালে বরিশাল সিটি কপোরেশনের প্লান ছাড়াই ভবন র্নিমাণ কাজ শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি মো. শামীম আহম্মেদ এর মা জাহানারা বেগম এর ভবন ঘেষে ভবন র্নিমাণ ও তাদের কাজের মালামাল রেখে কাজ শুরু করেন। প্রথমে মৌখিক ভাবে বাঁধা প্রদান করলে পুলিশ কর্মকর্তা কামাল হোসেন তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী প্রদর্শন করেন। উপায় না পেয়ে মো. শামীম আহম্মেদ এর মা জাহানারা বেগম বরিশাল সিটি কপোরেশনে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পেক্ষিতে বরিশাল সিটি কপোরেশনের পক্ষ থেকে অনুমোদিত প্লান দেখাতে চান। প্লান দেখাতে না পারায় সিটি কর্পোরেশন আইন ২০১০ এর ১৫৭ (৪) ধারায় নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে কামাল বিসিসির প্লান না নিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে চলতি বছরে জাহানারা বেগম পুনরায় বরিশাল সিটি কপোরেশনে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হন পুলিশ কর্মকর্তা। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ কর্মকর্তা কামাল হোসেন ও তার ছেলে সামিউল এবং সন্ত্রাসী মতিউর রহমানকে নিয়ে নগরীর চৌমাথা এলাকায় বসে শামীম আহম্মেদের পথরোধ করে তার উপর হামলা চায়লায়। এসময় শামীম আহম্মেদকে মারধর করে তার সঙ্গে থাকা ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, একটি পালসার মটর সাইকেল নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল করেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এঘটনায় ওই দিন শামীম বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু ওই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার এসআই রেজাউল শামীমকে বিষয়টি মিমাংসার কথা বলের। কিন্তু শামীম মিমাংসা না করে আইনের মাধ্যমে তদের শাস্তির দাবি জানান। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তার বিষয় হওয়ায় থানা থেকে তাদের কোন প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে না। 


সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা সুলতান আহম্মেদ থানায় গেলে ওসি বিষয়টি দেখবেন বলে তাদের আস্বস্ত করেছেন। তব থানায় অভিযোগ দায়ের ও সিটি কপোরেশনের অভিযোগ করা নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা কামাল হোসেন বিভিন্ন ভাবে শামীম ও তার পরিবারকে হুমকী প্রদান করছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা মিমাংসা চাই না আইনের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হোক টাই আমমাদের প্রত্যাশা। 

এবিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা কামাল হোসেনের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে কল করা হলে তার ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

বরিশাল কোতয়ালী থানার এস এই ও অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউলের সঙ্গে আলাপ করলে তিনি জানান মটর সাইকেল চুরির একটি অভিযোগ আছে। যেহেতু আমি বাইরে আছি থানায় না গিয়ে কিছুই বলতে পারবো না।