শনিবার, ২৮ নভেম্বার ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

দুলাল চন্দ্র মজুমদার

Oct. 5, 2020, 1:33 p.m.

বিশ্ব শিক্ষক দিবস: সকল শিক্ষকের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে
বিশ্ব শিক্ষক দিবস: সকল শিক্ষকের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে
খবর প্রতীকী। - ছবি: ভোরের আলো।

দুলাল চন্দ্র মজুমদার

আজ ৫ অক্টোবর। মহান বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এই দিনটি পৃথিবীর সবদেশে বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়ে থাকে। বিশ্ব শিক্ষক দিবসটি ইউনেস্কো ১৯৯৪ সাল থেকে শিক্ষক সমাজকে সম্মানিত ও তাদের ত্যাগের বিষয়টি সব মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ দিন হিসেবে পালন করে। যদিও ইউনেস্কো ১৯৬৬ সালে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে একটাই দাবি হওয়া উচিত, সারা দুনিয়ার শিক্ষকদের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমান বিশ্বে শিক্ষক এবং শিক্ষার দান প্রক্রিয়া একে অপরের পরিপূরক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত একটি বিষয়। যত বিষয়ের বিকল্প নেই তার মধ্যে ‘শিক্ষক’ মাধ্যম অন্যতম। সে কারণেই বিশ্বব্যাপী এই পেশা এবং পেশার পরিচর্যার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলছে। শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং পেশাকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য বেতন, আবাসন, প্রশিক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক কর্ম পরিবেশ উন্নত করার ওপর ইউনেস্কো জোর সুপারিশ করে চলেছে। সেজন্য শিক্ষকদের সব বিষয় বিবেচনা করে এক এক বছর এক একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নির্বাচন করে থাকে। বিশ্বের সবদেশেই এই প্রতিপাদ্য বিষয়ে অনুধাবনমূলক বিশ্লেষণ চলতে থাকে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো Teachers; leading in crisis, remaining the future (সংকট মোকাবেলায় শিক্ষক সমাজ এবং ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি উপস্থাপন)। এবছরের বিষয়ের আলোকে ইউনেস্কো চলমান মহামারি কোভিট-১৯ এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আসলে কথাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, মানুষ একজন শিক্ষকের কাছ থেকে যা শোনে বা বোঝে তার উপর ভরসা অনেক বেশি। কেননা শিক্ষক সমাজই সব সময় সংকট মোকাবেলায় অগ্রণী ভূমিকা রাখে এবং মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করে। কোভিট-১৯ বর্তমান বিশ্বের সব দেশ ও সমাজ মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছে। তারপরও দিক নির্দেশনা এবং সমাজের নিরপেক্ষ ভরসাস্থল হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষক সমাজ। সেই দিক বা বিষয়টি ইউনেস্কো খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে চয়ন করেছে।

বর্তমান গ্লোবাল পরিস্থিতিতে কাম্য উন্নয়ন লক্ষ্য (Sustainable development goals, SDGS) অর্জনের লক্ষে শিক্ষকদের যে সামাজিক স্বীকৃতি, দক্ষতা উন্নয়ন, জীবন মানসম্মত বেতন কাঠামো এবং মানবিক কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার মত বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে। চলমান মহামারি পরিস্থিতিতে শিক্ষক সমাজ নিজস্ব উদ্যোগেই শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে চলছে, যা ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় উপনীত হয়েছে। এইসব দিক বিবেচনা করে ইউনেস্কো লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ এর শিক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সংকট মোকাবেলায় এবং ভবিষ্যৎ প্রতিচ্ছবি নির্মাণে শিক্ষক সমাজের বিশেষ ভূমিকা ও পরিচয় তুলে ধরে ইউনেস্কো বিশ্বের সব শিক্ষকদেরই মহিমান্বিত করেছে। সংকট মোকাবেলায় শিক্ষকদের ভূমিকা বর্ণনায় ইউনেস্কোর ধারণা বিবরণী (Concept note)  এ স্বীকার করেছে যে কোভিট-১৯ এর মত একটি ‘দিক না জানা’ মুহূর্তে শিক্ষক সমাজ নেতৃত্ব প্রদান, সৃজনশীল বিকাশ ও উদ্ভাবনী সঞ্চালনে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। সব দেশের সব শিক্ষক সমাজই একক এবং সামগ্রিক প্রচেষ্টার ভিত্তিতে কোভিট-১৯ এর মত একটি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছেন, যা ইতোমধ্যে অনেক মানুষই গ্রহণ করেছেন এবং বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য পথ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। 

বিশ্ব শিক্ষক দিবস নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে শুধু নিজেকে অবদমন করা ছাড়া কোন পথ থাকে না। সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত, লাঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া শিক্ষক সমাজ হচ্ছে বাংলাদেশে। আর এই চিত্র বেসরকারি স্তরে ভয়াবহ। বাংলাদেশই হল পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যে দেশের শিক্ষক সমাজ জীবনমান সম্মত বেতন কাঠামো, পদোন্নতি, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, সুস্থ কর্মপরিবেশ, চাকুরি চলাকালীন সময়ের মধ্যে মান উন্নয়নের সুবিধা বঞ্চিত। ইউরোপ-আমেরিকার কথা বলার দরকার পড়ে না। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একজন শিক্ষক এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মী বাহিনীর সবাই জীবনমান সম্মত বেতন পান। এমনকি পাকিস্তানের শিক্ষক সমাজও আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশি সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন। সেই অবস্থায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মূল্যায়নের স্তরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তুলনা করতেই হবে যে, শিক্ষা কার্যক্রম একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া এখানে কোন একটি অংশকে অগ্রাহ্য করলে সমস্ত প্রক্রিয়া ভেস্তে যাবে। সেরকম একটি স্তর হল বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীগণ যে বেতন এবং সুবিধা পান তা নিতান্তই লজ্জাজনক। এখানে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের মোট শিক্ষাদান, সঞ্চালন ও পরিচালনের শতকরা ৯৮ ভাগ বেসরকারি। অথচ সব ধরণের অবহেলার শিকার এই স্তরের শিক্ষক কর্মচারিবৃন্দ। কোন একটি দেশের কিংবা সমাজের বৃহৎ একটি অংশ পুনঃ পুনঃ বঞ্চিত হওয়া কোনক্রমেই শুভ লক্ষণ হতে পারে না। এই ধারা অব্যাহত থাকলে যে কথা ইউনেস্কো বলেছে তার SDGS অর্জন করা তো দূরের কথা প্রাথমিক প্রয়োজন পূরণের স্তরেও উঠতে পারবে না। যদি এই ব্যবস্থা আরো দীর্ঘায়িত হয় তাহলে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ম্লান করে দেবে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ ঘোষিত যে কোন সূচক থেকে ছিটকে পড়তে বাধ্য হবে। যা হবে আমাদের জন্য জাতীয় বিপর্যয়। আজকে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল্যায়নে দাঁড়িয়ে বিশ্বগ্রাম বা Global Village ধারণা থেকে আমরা বাদ পড়ব আর আমাদেরকে পশ্চাৎপদ জাতি হিসেবে ধুকে ধুকে মরতে হবে।

আমরা অনেক সময়েই এই আলোচনায় আসলে কেমন যে আনমনা হয়ে যাই এবং সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ শর্তের কথা উল্লেখ করেন। আসলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সুসংহত করার জন্যই আমাদের পূর্বসুরীরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এখানে কেউ কাউকে দোষারোপ করার জন্য নয়।

আজকে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আলোচনায় বাংলাদেশে বিরাজমান সমস্যাগুলো সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে সরকারকেই। সেজন্য বর্তমানে সক্রিয় শিক্ষক সংগঠনগুলো যে সমস্ত দাবি উত্থাপন করছে তা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করতে হবে। বিশেষ ভাবে অগ্রাধিকার বিবেচনায় যে সমস্ত দাবিগুলো বেশি বেশি আলোচিত হচ্ছে তা হল:

১। শিক্ষাব্যবস্থার জাতীয়করণ কিন্তু বিক্ষিপ্ত জাতীয়করণ নয়।
২। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর দ্রুত বাস্তবায়ন।
৩। ইউনেস্কো ও জাতিসংঘের সুপারিশ মতে শিক্ষাখাতে জিডিপি-এর ৬% বরাদ্দ রাখতে হবে।
৪। বাংলা নববর্ষের উৎসব ভাতা ও বার্ষিক পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা দিতে হবে।
৫। নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারিদের এমপিওভুক্ত করতে হবে।
৬। অবসর তহবিল ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা দ্রুততার সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
৭। সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কুখ্যাত অনুপাত প্রথা বাতিল করতে হবে।
৮। সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদ সৃষ্টি করে পদোন্নতি দিতে হবে।
৯। ৮ম পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের ন্যায় সিলেকশন গ্রেড প্রদান করতে হবে।
১০। মাধ্যমিক স্তরে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক পদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
১১। সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে।
১২। বেসরকারি স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিদের বেতন জীবনমান ভিত্তিক হতে হবে।
১৩। সকল স্তরে শিক্ষার বাণিজ্যিকরণ বন্ধ করতে হবে।
১৪। শিক্ষকদের দক্ষতা ও পাঠদান কৌশল দক্ষতা বাড়ানোর জন্য উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
১৫। শিক্ষা বিনিময় কর্মসূচির আলোকে বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ বেসরকারিদের জন্যও উন্মুক্ত করতে হবে।

বর্তমানে শিক্ষক কর্মচারিদের দাবি দাওয়া নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে অধিকাংশ শিক্ষক সংগঠন পেশাগত মান উন্নয়ন ও জীবনমান সম্মত বেতন কাঠামো নির্ণয়ের দাবির চেয়ে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি চর্চা করছে। যার জন্য সরকারগুলো মনে করে খুব কম সংখ্যক শিক্ষক কর্মচারি বঞ্চিত হচ্ছে। কেননা সরকার সমর্থক শিক্ষক-কর্মচারির সংগঠনের সমর্থন বেশি দৃশ্যমান হয়। সেজন্য বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ক্ষুদ্র স্বার্থের কথা বিবেচনা না করে সামগ্রিক উন্নয়নের কথা ভাবলে ব্যক্তিগত প্রাপ্তিও পর্যাপ্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এটা কি ভাবা যায়, যে একই সিলেবাস, একই পাঠ্যবিষয় এবং মানব উন্নয়নের সূচকে অবদান হল ৮৮ ভাগের বেশি বেসরকারি স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার। অথচ তাদের নেই পদোন্নতি, নেই পূর্ণাঙ্গ বোনাস, নেই মান উন্নয়নের সুযোগ। আর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিদের বেতন কাঠামো প্রকৃতপক্ষেই অমানবিক। অন্যদিকে একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, ‘খন্ডিত বোনাস’ এবং ‘বনসাই স্তর’ পৃথিবীর মধ্যে শুধু বাংলাদেশেই আছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশ কোন মতেই সহনশীল/কাম্য উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অর্জন করতে পারবে না। কারণ শতকরা ৯৮ ভাগ শিক্ষক কর্মচারিদের শুধু যোগ্যতার দোহাই দিয়ে বঞ্চিত করে রাখলে কাক্সিক্ষত উন্নয়ন ও জাতিসংঘ ঘোষিত মানব উন্নয়নের সূচক অর্জনে ব্যর্থ হতে বাধ্য। আমাদের সমাজ দেহে ইতোমধ্যে এই ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, শিক্ষা বাণিজ্য, ধর্মান্ধতা, কুশিক্ষা ও বহুধাবিভক্তিতে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। ফলে কাম্য স্তরের মানব সম্পদ তৈরি হচ্ছে না। একটি সর্বজনীন, সেকুলার, বিজ্ঞানসম্মত, একমুখী শিক্ষানীতি ও ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন সম্ভব। যদি শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করা হয়। সেই আন্দোলনই করে চলছে অধিকাংশ সক্রিয় সংগঠন। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইউনেস্কো যে বিষয়গুলো বেশি বেশি গুরুত্ব দিয়েছে তা আমাদের বর্তমান আন্দোলনের মধ্যে আছে।

শুধু ‘শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড’ কিংবা ‘শিক্ষক সমাজ জাতির বিবেক’ এরকম কিছু শব্দমালা চয়ন করলেই হবে না। সঠিক ও জীবনমান সম্মত ব্যবস্থা গ্রহণই চলমান সমস্যার সমাধান করতে পারে। সেই সমাধানের ইঙ্গিত ইউনেস্কো দিলেও আমাদের মত দেশের সরকারগুলো বাস্তবায়ন করছে না। অনেক সময় অনেক কর্তা ব্যক্তিরা সরকারের সামর্থের কথা বলেন, যা তেলবাজির অংশ। আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষক এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের কর্মীদের জীবনমান সম্মত বেতন কাঠামো এবং দক্ষতা উন্নয়নের রাষ্ট্রীয় সুযোগ প্রণয়ন করলেই পৃথিবীর তাবৎ শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মীবাহিনী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন এবং প্রয়োগে সচেষ্ট হবেন। ফলশ্রুতিতে দেশ তার কাম্য জনসম্পদ অর্জনে সক্ষম হবে। জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। যে কথাটি বারবার ইউনেস্কো বলছে উন্নয়ন মানেই হল কাম্য (Sustainable)  আর সহনশীল/কাম্য হওয়ার প্রথম শর্ত শিক্ষকদের নিশ্চিত অর্থনৈতিক জীবনযাপন। যার মাধ্যমে শিক্ষক সমাজ হবে ‘সংকট মোকাবেলায় নেতৃত্ব গ্রহণ এবং জাতিকে স্বপ্নাদর্শী’ করে তোলা। জয় হোক বিশ্ব মানবতার।

লেখক: অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।