বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বার ২০২০, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

Oct. 20, 2020, 12:02 a.m.

মধ্যরাত থেকে সারাদেশে অনিদৃষ্টকালের নৌযান ধর্মঘট
মধ্যরাত থেকে সারাদেশে অনিদৃষ্টকালের নৌযান ধর্মঘট
সংগৃহীত। - ছবি:

আজ  রাত ১২টার পর থেকে শুরু নৌযান শ্রমিকদের ১১ দফা দাবি আদায়ের অনিদৃষ্টকালের নৌযান ধর্মঘট। নৌযান শ্রমিকদের পরিচয় পত্র, নিয়োগ পত্র ও  সার্ভিস বুক প্রদান করা, শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ১১ দলা দাবি তুলে ধরেন নৌযান শ্রমিক নেতারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

গত ১৭ অক্টোবার শনিবার ১১ দাবি আদায়ে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। ১৯ অক্টোবরের মধ্যে দবি না মানলে যাত্রীবাহী নৌযান শ্রমিকরাও একযোগে ধর্মঘটে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর অশং হিসেবে বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশন ও নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের আহ্বানে ওই নৌযান ধর্মঘাটে যাচ্ছে নৌযান শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার আ্যাসোসিয়েশন বরিশাল অঞ্চলের সভাপতি শেখ আবুল হাসেম জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের দাবি জানালেও সেই দাবির প্রতি কোন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। ১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আজ ১৯ অক্টোবর রাত ১২ টা ১ মিনিট থেকে সারাদেশে একযোগে সবধরণের পণ্যবাহী জাহাজের শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করবে। দাবি বাস্তবায়ন না করে জুলুম-নির্যাতন, হামলা-মামলা করা হলে যাত্রীবাহী নৌযান শ্রমিকরাও কর্মবিরতি শুরু করবে। শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ১১ দফার দাবির প্রতিটিই শ্রমিকদের জন্য যৌক্তিক। দাবিগুলোর বাস্তবায়ন এখন সকল শ্রমিকের প্রাণের দাবি হয়ে গেছে। তাই দাবি আদায়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, নৌযান শ্রমিকদের পরিচয় পত্র, নিয়োগ পত্র ও  সার্ভিস বুক প্রদান করা, শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সকল শ্রমিকদের ফ্রি খাদ্য ভাতা প্রদান করা,  ভারতগামী জাহাজের ল্যান্ডিং পাসসহ সেখানে থাকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নদীপথে সকল ধরণের চাঁদাবাদি-সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করা, নদীর নাব্যতা রক্ষা করা, পরীক্ষা বোর্ডের দুর্নীতি ও মেরিন কোর্টের হয়রানি বন্ধ করা, কথায় কথায় শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ ও প্রভিডেন্ট ভান্ড চালু করা, জাহাজে কর্মরত অবস্থায় শ্রমিকরা মৃত্যুবরণ করলে তাদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।