শুক্রবার, ২৭ নভেম্বার ২০২০, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

Oct. 27, 2020, 9:46 p.m.

বিলের মেমো চাওয়ায় ক্লিনিকে শিক্ষা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ
বিলের মেমো চাওয়ায় ক্লিনিকে শিক্ষা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ
নগরীর বগুড়া রোডের সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিক । - ছবি:

বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের (ইইডি) সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। নগরীর বগুড়া রোডের সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকে চিকিৎসা বাবদ দেয়া বিলের মেমো চাওয়ায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বহিরাগত ডেকে তাকে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর বগুড়া রোডের সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকে এই ঘটনা ঘটে। 


বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের (ইইডি) সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামের ভাগ্নে সুমন গাজীর বাম হাতের একটি আঙ্গুল গত ২৩ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাগ্নের আঙ্গুলের চিকিৎসার জন্য বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডের সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে গত ৫ অক্টোবর ৩৫ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। ওই দিনই চুক্তির সমুদয় টাকা পরিশোধ করেন তারা। তবে টাকা পরিশোধের কোন মেমো তাদের দেয়নি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত ২১দিন শেষে গতকাল সোমবার দ্বিতীয় অপারেশন করেন ডা. হাবিবুর রহমান। এরপর রোগীর কাছে আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি। এই টাকা না দিলে রোগীর ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

খবর পেয়ে  মঙ্গলবার বিকেলে প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম ওই ক্লিনিকে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কারণ এবং আগের নেয়া বিলের টাকার ভ্যাট ও আয়কর পরিশোধিত মেমে চান ডা. হাবিবুর রহমানের কাছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডা. হাবিবুর রহমান প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামের সঙ্গে বাদানুবাদে লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তিনি মুঠোফোনে তার স্বজনদের ডেকে এনে প্রকৌশলী শহীদুলকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেন প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম। অবস্থা বেগতিক দেখে প্রকৌশলী শহীদুল জরুরী সেবা হটলাইন ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। 

তবে রোগীর আঙ্গুল অপারেশনের জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা চাওয়া হয়নি এবং রোগীর স্বজন শিক্ষা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও সঠিক নয় বলে দাবি করেন সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান। টানাটানিতে তার শর্টের বোতাম ছিড়ে যেতে পারে বলে দাবি তার। 

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।